সালাত লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সালাত লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৯ জুন, ২০১৪

ট্যাক্সি ভ্রমণে তওবাহ (একটি ফিরে আসার গল্প)

- কোন মন্তব্য নেই


২০০৪ সাল থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে আমি যখন কোন কাজ খুঁজে পাচ্ছিলাম না তখন সাময়িকভাবে একজন ট্যাক্সি চালক হিসেবে কাজ করতাম।

ট্যাক্সিএকদিন যখন আলেক্সান্দ্রিয়ার (মিশর) রাস্তায় গাড়ি চালাচ্ছিলাম, আর শাইখ মিশরী রশিদ আল-আফাসির কণ্ঠে সূরা আল হাদীদের (৫৭ নং সূরা) কিছু আয়াতের তিলাওয়াত শুনছিলাম, তখন ৬০ বছর বয়স্ক এক লোক আমাকে থামালো এবং বললো তাকে কারমুয (আলেক্সান্দ্রিয়ার নিকটবর্তী একটি প্রাচীন শহর) পৌঁছে দিতে। তিনি গাড়ীতে উঠে বসলে আমি তার গন্তব্যের দিকে যাত্রা শুরু করলাম।

রাস্তার প্রতি মনোযোগ থাকা সত্ত্বেও আমি বুঝতে পারছিলাম লোকটি খুব বিরক্ত বোধ করছে। যার জন্য তিনি তার হাঁটু নাড়ছেন, হাত চুলকাচ্ছেন এবং বার বার ক্যাসেট প্লেয়ারটির দিকে তাকাচ্ছেন। শাইখ নিম্নোক্ত আয়াতগুলো পাঠ না করা পর্যন্ত তিনি একই কাজ করতে থাকলেন।

সোমবার, ২ জুন, ২০১৪

শুক্রবার - সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন

- কোন মন্তব্য নেই



মুসলিমদের জন্য শুক্রবার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় এটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও কল্যাণকর কারণ এই দিন সমাজের অধিকাংশ মুসলিম এক সাথে সালাত আদায়ের জন্য একত্রিত হয়। সালাতের ঠিক পূর্বেই তারা একটি খুতবাহ্‌ শুনে যা তাদেরকে স্রষ্টা ও দ্বীন সম্পর্কে মূল্যবান জ্ঞানের অধিকারী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য পরিকল্পিতভাবে প্রদান করা হয়। এটি একটি মহিমান্বিত দিন যার মর্যাদা আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) নিজেই দান করেছেন;
সূরা আল-জুমু'আহঃ ০৯সপ্তাহের আর কোনও দিনই এমন মর্যাদার অধিকারী নয়।


একজন মুমিনের সমগ্র জীবনই ইবাদাত; এমনকি তিনি যা কিছু উদ্‌যাপন করেন তা-ও। যদিও আল্লাহর ইবাদাত করার জন্য বিশেষ কোন স্থান বা সময় নেই, তবে তিনি কিছু মুহূর্ত, দিন কিংবা সময়কে অধিক মর্যাদা দান করেছেন; আর শুক্রবার এমনই একটি দিন।

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাহ থেকে আমরা জানতে পারি,

আল্লাহর দৃষ্টিতে সর্বোত্তম দিন শুক্রবার, জুমু’আর দিন। ১

বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

৭ টি টিপসঃ যেভাবে ফজরের সালাতের পর জেগে থাকা যায়



আসসালামু আলাইকুম,
আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আমার আজকের লেখা ফজরের সালাতের পর জেগে থাকা সম্পর্কিত কিছু টিপস ও ফযীলতকে ঘিরে। বেলা করে ঘুম থেকে উঠার মতো অন্য কোন কিছুই আপনার দৈনন্দিন কর্মতৎপরতাকে ধ্বংস করে না। অফিস কিংবা ক্লাসের ঠিক আগ মুহূর্তে ঘুম থেকে উঠে কোন রকমে জামা-কাপড় পড়ে, খেয়ে না খেয়ে ছুটে গিয়ে বাস ধরা- একটি কর্মময় দিনের লক্ষণ নয় নিশ্চয়? হাঁপাতে হাঁপাতে যখন অফিস কিংবা ক্লাসে গিয়ে পৌঁছালেন, স্থির হয়ে বসার ঠিক আগ মুহূর্তেই দেখলেন দুপুরের খাবারের সময় হয়ে গেল, তারপর ইশার আযান। আপনার মনে হতে লাগলো পুরো দিনটাই ছিল অসম্পূর্ণ। আর এর পেছনে মূল কারণ হল, আপনার হাতে ২-৫ ঘন্টার মত সময় ছিল যা কাজে লাগিয়ে আপনি বাড়াতে পারতেন নিজের কর্মতৎপরতা, কিন্তু সে সময়টা আপনি কাটিয়েছেন ঘুমিয়ে!

ধরতে পারছেন, আমি কোন সময়টার কথা বলছি? আমি কথা বলছি ফজরের সালাতের ঠিক পরবর্তী সময়টি নিয়ে। এটি একটি বরকতময় সময়, যার সম্পর্কে নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’আ করেছেন এবং বলেছেন,

“হে আল্লাহ! আমার উম্মাতকে সকালের উত্তম সময়ের রহমত দান করুন।”

তাহলে আসুন, জেনে নেই সেই ৭ টি কাজ সম্পর্কে যেগুলো আপনাকে সাহায্য করবে ফজরের সালাতের পরও জেগে থাকতে। আর ইনশা আল্লাহ আপনার দিনকে করে তুলবে বরকতময় এবং সফল।

ভোর১. তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ুন এবং বিশ্রাম নিনঃ ইশার সালাতের পর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তায় নিজেকে জড়াতেন না এবং সালাত শেষে, ঘুমানোর জন্য সোজা বাড়ি ফিরে যেতেন। একই ধরনের জীবন প্রবাহ রয়েছে সে সকল সম্প্রদায়ের মাঝে যাদের অঞ্চলে বিদ্যুৎ এখনও মিথ্যা দিবালোকের জন্ম দেয়নি (আমাদের দেশে গ্রামাঞ্চলে গেলে এমনটি দেখা যায়)। এ সব অঞ্চলের মানুষ সূর্যাস্তের সাথে সাথে যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করে ফেলে এবং ইশার সালাতের পরপরই খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। আর ভোরে সূর্যোদয়ের সাথে সাথেই ঘুম থেকে উঠে ফজরের সালাতের পর জীবিকার সন্ধানে বেরিয়ে পড়ে। বাড়তি ঘুমানো (ফজরের সালাতের পর যে ঘুম) যদি আপনার একেবারে জরুরি হয়ে পড়ে তবে যুহরের আগে কিংবা পরে সামান্য ‘ভাতঘুম’ দিতে পারেন।